বিভাগীয় সাংগঠনিক কমিটির মতবিনিময় সভায় জি এম কাদের

জাতীয় পার্টিই হচ্ছে আ’লীগ ও বিএনপির বিকল্প শক্তি

জাতীয় পার্টিই হচ্ছে আ’লীগ ও বিএনপির বিকল্প শক্তি

ঢাকা অফিস : জাতীয় পার্টিই হচ্ছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বিকল্প শক্তি বলে মন্তব্য করেছেন দলটির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের। (১৩ ডিসেম্বর) রোববার দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংগঠনিক কমিটির মতবিনিময় সভায় জাতীয় গোলাম মোহাম্মদ কাদের এ কথা বলেন। 
তিনি বলেন, বিএনপি নেত্রী মুচলেকা দিয়ে জামিনে আছেন, নেতৃত্ব সংকট আছে দলটিতে। রাজনীতির মাঠে দাঁড়াতেই পারছে না বিএনপি। আবার আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন রাষ্ট্র ক্ষমতায়। কেউ ইচ্ছে করলেই আওয়ামী লীগে যোগ দিতে পারছে না। তাই নতুন প্রজন্মের সামনে জাতীয় পার্টিই হচ্ছে রাজনীতির একমাত্র প্লাটফর্ম। 
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দুটি দলই জাতীয় পার্টিকে জবাই করতে ষড়যন্ত্র করেছে। কিন্তু জাতীয় পার্টি টিকে আছে, সারা দেশেই জাতীয় পার্টির সমর্থক আছে। আগামী দিনে জাতীয় পার্টিই দেশের রাজনীতির নিয়ামক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হবে। 
তিনি বলেন, পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ রাষ্ট্র ক্ষমতা হস্তান্তরের পর আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দেশ পরিচালনা করেছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের বিবেচনায় জাতীয় পার্টির শাসনামলে দেশে সুশাসন বিদ্যমান ছিল। দেশের মানুষ জাতীয় পার্টির দিকে এক বুক প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছে।
জাতীয় পার্টি মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু বলেন, বিএনপির রাজনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। আর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই তাদের সংগঠন আছে। কিন্তু জাতীয় পার্টি সারাদেশে ছড়িয়ে আছে। দেশের মানুষ পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামল ফিরে পেতে চায়। তিনি বলেন, আগামী দিনের রাজনীতিতে ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে জাতীয় পার্টি রাজনীতির নিয়ন্ত্রক শক্তিতে পরিণত হবে। তাই দলকে আরো শক্তিশালী করতে নেতা-কর্মীদের প্রতি আহবান জানান জাতীয় পার্টি মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু।
জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ফকরুল ইমাম এমপির সভাপতিত্বে ও ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তফা আল মাহমুদের পরিচালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- প্রেসিডিয়াম সদস্য ক্বারী হাবিবুল্লাহ বেলালী, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ডা. কে.আর. ইসলাম, অ্যাডভোকেট মো. লিয়াকত আলী খান, সাবেক যুগ্ম মহাসচিব সালাউদ্দিন আহমেদ মুক্তি, সাংগঠনিক সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা মফিজুর রহমান, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, ডা. মোস্তাফিজার রহমান আকাশ, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক রহিমা আক্তার আসমা সুলতানা, যুগ্ম শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মীর সামসুল আলম লিপ্টন, কেন্দ্রীয় সদস্য শফিকুল আলম তপন, আবুল কাশেম, মো. সোহেল রানা মিঠু, ময়মনসিংহ মহানগর সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আওযাল সেলিম, জেলা সাংগঠনিক ইদ্রিস আলী, জামালপুর জেলা সদস্য সচিব জাকির হোসেন খান, জেলা নেতা আনিসুর রহমান মানিক, শেরপুর জেলা সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম ঠান্ডা। উপস্থিত ছিলেন- উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য মনিরুল ইসলাম মিলন, সাংগঠনিক সম্পাদক নির্মল দাস, সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন মঞ্জু, আনেয়ার হোসেন তোতা, দফতর সম্পাদক-২ এম.এ. রাজ্জাক খান, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাদেক বাদল, যুগ্ম দফতর মাহমুদ আলম, সমরেশ মন্ডল মানিক, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ঝুটন দত্ত, কেন্দ্রীয় নেতা- জাহিদুল ইসলাম পাপ্পু, আনোয়ার হোসেন, আব্দুস সাত্তার, মাওলানা মো. খলিলুর রহমান সিদ্দিকী, মো. আনোয়ার হোসেন খান শান্ত, মো. আবুল কাশেম, মখলেছুর রহমান বস্তু, কৃষিবীদ ঈসা জাকারিয়া ভূঁইয়া।

==